ছয় মাস আগে সিলেট থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আসিফ-সুরমা দম্পতি গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদেরকে চার ব্যাগ করে রক্ত দিতে হয়। সুরমা তখন সন্তানসম্ভবা ছিল। বাঁচার আশা না থাকলেও ধীরে ধীরে তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। সন্তান জন্মের কিছুদিন পর থেকে সুরমার ওজন দ্রুত কমতে শুরু করে। প্রায় সপ্তাহখানেকের জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ আরো উপসর্গ নিয়ে সে ডাক্তারের কাছে যায়। রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে সুরমা একটি প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত। ডাক্তার জানালেন তার নবজাতক সন্তানও এই রোগের ঝুঁকির মুখে আছে।
সুরমার সন্তানের সহযোগিতায় সেভ দ্যা চিলড্রেন ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।
এইডস এর বিস্তৃতি বন্ধে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সেভদ্যা চিলড্রেন বিশ্বব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব শিশুর এইডস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি তাদের জন্য সংস্থাটি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে সংস্থাটি যেসব কাজ করে তা হলো সমষ্টিকেন্দ্রিক সাহায্য প্রদান, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের শিক্ষা, মানসিক সমর্থন, পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ ইত্যাদি। অসহায়, এতিম এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের ওপর গুরুত্বারোপ করে এইডস বিষয়ে সেভদ্যা চিলড্রেন ব্যাপক কর্মসূচি পালন করে। ২০১৪ সালে সংস্থাটি HIV/AIDS কর্মসূচির আওতায় বিশ্বব্যাপী ১১.৮ মিলিয়ন শিশুকে সহযোগিতা প্রদান করেছে। সুরমার সন্তানের ক্ষেত্রে সংস্থাটি সহযোগিতা করতে পারে।
উদ্দীপকের সুরমা এইডসে আক্রান্ত হওয়ায় তার সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর যেসব শিশু এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তাদের সুরক্ষায় সেভদ্যা চিলড্রেন নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে। যেহেতু সুরমার সন্তান এইডসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছে সেহেতু সংস্থাটি সুরমার সন্তানকে সহযোগিতা করতে পারে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুরমার সন্তানের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সেভ দ্যা চিলড্রেন ভূমিকা রাখতে পারে।
কত সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
(জ্ঞানমূলক)আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?